বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ১২:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্তে ৫৩ বিজিবির পৃথক অভিযানে নেশাজাতীয় এস্কাফ সিরাপ ও মোবাইল ফোন জব্দ শিক্ষককে মূল্য দিন, জাতি তার ফল পাবে ! জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর অভিযানে মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট সহ আটক-১  সোনামসজিদ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১৬৭ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় সিরাপ জব্দ সোনামসজিদে গৃহবধূ সুমাইয়াকে হত্যার প্রতিবাদ ও আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন  শিবগঞ্জে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে সহায়তার প্রদান বিএনপি নেতা রাইহান পেশার মর্যাদা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবিতে শিবগঞ্জে ফারিয়ার মানববন্ধন শিবগঞ্জে পদ্মার মাটি কাটার দ্বন্দ্বে যুবককে মাদক মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ, মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে সাংবাদিকদের ওপর হামলা,শিবগঞ্জ প্রতিবাদে সভা শিবগঞ্জে ৩ নবজাতকের পাশে ইউএনও মাজহারুল ইসলাম।

রাজশাহীতে হামলায় আহত কৃষকদের ওপরই উল্টো মামলা!

রাজশাহী প্রতিবেদক: রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে সাধারণ কৃষকদেও ওপর হামলা কওে আহতদেও ওপরই উল্টো মামলা করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। গতকাল শনিবার (১৮ জুন)বিকেলে রাজশাহী প্রেসক্লাবে এক সংবাদ এমন অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী কয়েকজন কৃষক।
ভুক্তভোগীরা হলেনÑউপজেলার পাকড়ি মোষড়াপাড়া এলাকারমৃত শেখ তমির উদ্দিনের ছেলে আশিকুল ইসলাম চাঁদ, মৃত সলেমানের ছেলে কামাল আলী, মো. হযরতআলীর ছেলে মিজানুর রহমান ও মৃত সাইফুদ্দিনের ছেলে শফিকুল। আর অভিযুক্তরা হলেনÑ একই এলাকার মৃত আলিমুদ্দিনের ছেলে আজাহার আলী, আতিকুর রহমান, এমদাদুল, মমিন, বাশার, তার ছেলে আব্দুল্লাহ ও আব্দুল বারি।
সংবাদ সম্মেলনে আশিকুল ইসলাম চাঁদ বলেন, এলাকার মানিক মিয়াওয়াকফ এস্টেটের ৫১ বিঘা জমি নিয়ে ঝামেলা চলছিল। সেখানে আদালত ১৪৪ ধারা জারি করেন। কিন্তু আদালতের আদেশঅমান্য কাে আজাহার দলবল নিয়ে জমি দখলের চেষ্টা চালায় এবং কৃষকদের ওপর হামলা করে। হামলায় ৫/৭ জন আহত হয়। কৃষকদের বাঁচাতে গিয়েও আহত হন কয়েকজন। পওে তারাই উল্টো মামলা কওে আদালতে। তার ইউনিয়নের চেয়ারম্যানসহ ৩১ জনকে আসামীকরা হয় মামলায়।
সংবাদ সম্মেলনে কামাল আলী বলেন, ওই দিনের হামলায় আমিও আহত হই। হামলা কারী আজাহার আমার আপন চাচা। আমি আহত হয়েও আসামী হয়েছি মিথ্যা মামলায়। আমার চাচাতো ভাই নজরুল নামে আরেক কৃষককেও আসামী করা হয়েছে। অথচ তিনি ও আমার চাচার হামলায় গুরুতর আহত হন। হারিয়ে ফেলেছেন স্মৃতিশক্তি। এ সময় পাকড়ি ইউনিয়নের ৭ নম্বও ওয়ার্ড আওয়ামীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান বলেন, ২০১৪ সালের আগে বিএনপির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন হামলাকারী আজাহার। পওে কৃষকলীগে অনুপ্রবেশ করেছেন তিনি। এলাকায় তার অত্যচাওে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ। জমিদখল, মারধর, হামলা সহ বিভিন্ন বাজে কাজের জন্য জনরোষের মুখে এলাকায় তিনি ঢুকতে পারছেন না। সংবাদ সম্মেলনে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের পাশাপাশি আজাহারকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন কৃষকরা। এ বিষয়ে অভিযুক্ত আজাহার আলীর তাৎক্ষনিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, প্রতিপক্ষের লোকজন তার ওপর দফায় দফায় হামলা চালিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা