বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্তে ৫৩ বিজিবির পৃথক অভিযানে নেশাজাতীয় এস্কাফ সিরাপ ও মোবাইল ফোন জব্দ শিক্ষককে মূল্য দিন, জাতি তার ফল পাবে ! জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর অভিযানে মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট সহ আটক-১  সোনামসজিদ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১৬৭ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় সিরাপ জব্দ সোনামসজিদে গৃহবধূ সুমাইয়াকে হত্যার প্রতিবাদ ও আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন  শিবগঞ্জে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে সহায়তার প্রদান বিএনপি নেতা রাইহান পেশার মর্যাদা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবিতে শিবগঞ্জে ফারিয়ার মানববন্ধন শিবগঞ্জে পদ্মার মাটি কাটার দ্বন্দ্বে যুবককে মাদক মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ, মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে সাংবাদিকদের ওপর হামলা,শিবগঞ্জ প্রতিবাদে সভা শিবগঞ্জে ৩ নবজাতকের পাশে ইউএনও মাজহারুল ইসলাম।

বিদ্যালয়ের সভাপতি কর্তৃক শিক্ষার্থীকে মারপিটের অভিযোগ

নওগাঁ প্রতিনিধিঃ
নওগাঁর পত্নীতলায় নজিপুর পৌরসভার বাদ পুঁইয়া এলাকার ভানু মন্ডলের ছেলে দুলাল( ৪৫) এর বিরুদ্ধে পুঁইয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে মারপিটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই শিক্ষার্থী নিজে বাদী হয়ে ১ নং বিবাদী দুলাল( ৪৫) ও ২ নং বিবাদী ইমরুল কায়েসর নাম সহ অজ্ঞাত ৫ /৬ জন উল্লেখ করে রবিবার রাতে পত্নীতলা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। জানা যায় দুলাল ওই বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি।

থানার অভিযোগ সূত্রে জানা যায় গত ১৮ মে বিদ্যালয়ের সাব্বির নামক একটি ছাত্রের সাথে ১০ম শ্রেণীর ছাত্র শামীমের কথা কাটাকাটি হয়। এ ঘটনায় ২২ মে দুপুরে শামীম পরীক্ষা দিয়ে ফেরার সময় স্কুলের গেটে পৌঁছালে বিবাদী দুলাল ও ইমরুল কায়েস সহ অজ্ঞাত আরো ৫/৬ জন তাকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি লাথি মারতে থাকে। পরে শামীম প্রধান শিক্ষকের নিকট বিচার দিলে তাকে টেনে হিঁচড়ে মাঠে বের করে মারধর করে এবং মারতে মারতে বলে তুই আমার নামে বিচার দিয়েছিস আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে তাক ছেড়ে দেন।

ওই দিন দুপুরেই প্রধান শিক্ষকের কক্ষে সালিশ বসলে শালিশের এক পর্যায়ে এক নং বিবাদী দুলাল তার উপর রাগান্বিত হয়ে বাঁশের লাঠি দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি ভাবে মারপিট করে এসময় তার নিকট থাকা একটি মোবাইল ফোন জোরপূর্বক নিয়ে নেন এসময় আাজমাইন নামক একজন ছাত্র তাকে বাঁচাতে গেলে তাকেও মারপিট করে তার ফোনও কেড়ে নেন।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তফা আলী জানান ছাত্রদের দুই পক্ষের মধ্যে গন্ডগোল হলে সালিশে তা মীমাংসা করা হয় এ সময় সভাপতি হালকা উভয় পক্ষকে থামানোর জন্য হালকা শাসন করেছেন।

কমিটির সভাপতি দুলাল মন্ডল বলেন কোন মারধরের ঘটনা ঘটেনি আমি কাউকে মারপীট করিনি ছাত্রদের মধ্যে গণ্ডগোল হয়েছিল দুই পক্ষের অভিভাবকদের উপস্থিতিতে তা মীমাংসা করে দেয়া হয়েছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মুসাক আলী বলেন শামীম রেজা নামে একজন ছাত্র অভিভাবকসহ আমার নিকট এসেছিলেন। আমি সবকিছু শুনে প্রধান শিক্ষক ফোন দিলে তিনি দায়িত্ব নিয়েছেন ঐ শিক্ষার্থীর আর মারপিটের বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেছেন। তবে শিক্ষার্থীর অভিভাবককে বলেছি- যদি তিনি চান তবে অভিযোগ দাখিল করলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ছাত্রের পরীক্ষা চলমান থাকায় পরে তিনি জানাবেন বলে গেছেন।

এ বিষয়ে পত্নীতলা থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি শামসুল আলম শাহ বলেন থানায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা