বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ১১:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্তে ৫৩ বিজিবির পৃথক অভিযানে নেশাজাতীয় এস্কাফ সিরাপ ও মোবাইল ফোন জব্দ শিক্ষককে মূল্য দিন, জাতি তার ফল পাবে ! জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর অভিযানে মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট সহ আটক-১  সোনামসজিদ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১৬৭ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় সিরাপ জব্দ সোনামসজিদে গৃহবধূ সুমাইয়াকে হত্যার প্রতিবাদ ও আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন  শিবগঞ্জে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে সহায়তার প্রদান বিএনপি নেতা রাইহান পেশার মর্যাদা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবিতে শিবগঞ্জে ফারিয়ার মানববন্ধন শিবগঞ্জে পদ্মার মাটি কাটার দ্বন্দ্বে যুবককে মাদক মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ, মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে সাংবাদিকদের ওপর হামলা,শিবগঞ্জ প্রতিবাদে সভা শিবগঞ্জে ৩ নবজাতকের পাশে ইউএনও মাজহারুল ইসলাম।

শিবগঞ্জে টেকনোলজিস্ট-ফার্মাসিস্টদের কর্মবিরতিতে ভোগান্তিতে রোগী

শিবগঞ্জ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি:
সারাদেশের মতো চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জেও সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের পূর্বঘোষিত দুই ঘণ্টার শান্তিপূর্ণ কর্মবিরতি পালন হয়েছে। এতে দূর-দূরান্ত থেকে আসা রোগীরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ওষুধ নেওয়ার ক্ষেত্রে চরম ভোগান্তিতে পড়েন। সেবা নিতে আসা স্থানীয়দের দাবি, সরকারের উচিত দ্রুত দাবি মেনে নেওয়া। এ কর্মসূচিতে উপজেলা ও উপ-স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা অংশ নেয়। কর্মবিরতির কারণে প্যাথলজি, রেডিওলজি, ডেন্টাল, ফার্মেসী ও ফিজিওথেরাপী সেবা মারাত্নকভাবে বিঘ্নিত হয়। লম্বা সারিতে রোগীরা এসব সেবা নেয়ার জন্য অপেক্ষমান ছিল। তবে সার্বিক পরিবেশ ছিল শান্ত ও সুশৃঙ্খল। কর্মসূচির কারণে কিছু ল্যাবরেটরি ও ডায়াগনস্টিক সেবায় সাময়িক বিঘ্ন ঘটলেও জরুরি সেবা পূর্বের মতোই সচল ছিল। মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের বলেন, গত এক বছর ধরে আবেদন, স্মারকলিপি, বৈঠক, যুক্তি-তথ্য-পরিসংখ্যানসহ সব আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করেও তাদের ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবি উপেক্ষিত হচ্ছে। মাত্র বছরে ২৪ কোটি টাকার আর্থিক বরাদ্দে দীর্ঘ তিন দশকের পেশাগত অর্জনকে মর্যাদায় উন্নীত করা- এ দাবি ন্যায়সংগত ও সময়োপযোগী। টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের অভিমত, দেশের স্বাস্থ্যসেবার প্রতিটি স্তরে-ইউনিয়ন পর্যায়ের ছোট কেন্দ্র থেকে শুরু করে জাতীয় পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতাল পর্যন্ত-তাদের কর্মযজ্ঞ চিকিৎসাকে এগিয়ে নিয়ে যায়। তবুও রাষ্ট্রীয় কাঠামোর দীর্ঘদিনের অবহেলা ও বৈষম্য তাদের বাধ্য করেছে কর্মবিরতির মতো কঠোর কর্মসূচিতে সামিল হতে। কর্মসূচিতে উপস্থিত পেশাজীবীরা বলেন, আমরা কখনোই সেবা বন্ধ রাখতে চাইনি। তবে আমাদের প্রতি অবহেলা ও উদাসীনতার সীমা অতিক্রম করায় আমরা বাধ্য হয়েছি। আন্দোলনকারীরা বলেন, পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি অনুসারে তারা কর্তৃপক্ষকে আগামী ৪৮ ঘণ্টা সময় দিচ্ছেন দাবি বাস্তবায়নের জন্য। এটিকে তারা শেষ আলটিমেটাম হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাদের ভাষ্য, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সিদ্ধান্ত না এলে তারা লাগাতার কর্মবিরতিসহ আরও কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবেন বলে হুশিয়ারী দেন। দুই ঘণ্টার কর্মবিরতি শেষে বেলা ১১টার পর স্বাস্থ্যসেবার নিয়মিত কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়। আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সমাধান না এলে বৃহত্তর কর্মসূচি আর ঠেকানো যাবে না বলেও জানান আন্দোলনকারীরা। এতে উপস্থিত ছিলেন ফার্মাসিস্ট, আব্দুল লতিফ, আব্দুল্লাহ আল মামুন, প্যাথলজি বিভাগের ল্যাব ইনচার্জ ওবায়দুর রহমান ও বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে পক্ষে আল আমিন রাসেল। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্ট ১০ম গ্রেড বাস্তবায়ন পরিষদ শিবগঞ্জ উপজেলার সমন্বয়ক আসাদুজ্জামান এবং মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ল্যাব ও ফার্মাসিটি পক্ষ থেকে বিরাজ কুমার।

View All


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা