আবেদনের ওই শিক্ষার্থী আরো উল্লেখ্য করে, ইতিমধ্যে আমার বিয়ের দিন তারিখ ঠিক হলে গত ১৬মার্চ বায়েজিদ বরপক্ষের বাড়িতে গিয়ে ভিডিও চিত্র দেখিয়ে বিয়ে ভাঙ্গিয়ে দেয়। ওই শিক্ষার্থী তার আবেদনে জানান, আমার ভিডিও চিত্র প্রকাশ করে দিয়ে একদিকে আমার বিয়ে ভাঙ্গিয়েছে, অন্যদিকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করেছে। শুধু তাই নয়, বর্তমানে বায়েজিদ ও তার সমর্থকগণ আমাকে ও আমার পরিবারকে এ বলে হুমকি দিতেছে যে যদি কোথাও কোন ধরনের অভিযোগ বা মামলা করা হয় তবে আমাকে ও আমার পরিবারকে হত্যা ও বিভিন্ন ধরণের মামলায় জড়িয়ে চরম হয়রানীতে ফেলবে।
এব্যাপারে বায়েজিদের সাথে সাক্ষাতে বক্তব্য নিতে গেলে, তিনি মিডিয়ার কর্মীদের সাথে দূর্ব্যবহার করেন এবং ভয়ভীতিও দেখান।
এব্যাপারে অত্র চককীর্তি হাই স্কুল এন্ড কলেজের ভারপ্রাপÍ অধ্যক্ষ রবিউল আলম তরুন বলেন, আবেদনের অনুলিপি পেয়েছি। আবেদনটি যেহেতু উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর করা হয়েছে এবং বর্তমানে কোন কমিটি নেই, সেহেুতু উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশনা মোতাবেক সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হাসান আনু মিয়া বলেন, বায়েজিদকে মৌখিক ভাবে বহিস্কার করা হয়েছে। কমিটি গঠন হলে তাকে লিখিতভাবে বহিস্কার করা হবে। তিনি এখনো কোন আবেদনের কপি পাইনি। তবে, আবেদনকারীরা চেয়ারম্যানের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমাদের একজন আবেদন দিতে গেলে তার সহকারীকে তার ছবি তুলতে ও লাঞ্ছিত করার নির্দেশ দিলে সে পালিয়ে আসে।
এদিকে, শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ এফ এম আবু সুফিয়ান বলেন অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।