বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ১১:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্তে ৫৩ বিজিবির পৃথক অভিযানে নেশাজাতীয় এস্কাফ সিরাপ ও মোবাইল ফোন জব্দ শিক্ষককে মূল্য দিন, জাতি তার ফল পাবে ! জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর অভিযানে মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট সহ আটক-১  সোনামসজিদ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১৬৭ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় সিরাপ জব্দ সোনামসজিদে গৃহবধূ সুমাইয়াকে হত্যার প্রতিবাদ ও আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন  শিবগঞ্জে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে সহায়তার প্রদান বিএনপি নেতা রাইহান পেশার মর্যাদা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবিতে শিবগঞ্জে ফারিয়ার মানববন্ধন শিবগঞ্জে পদ্মার মাটি কাটার দ্বন্দ্বে যুবককে মাদক মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ, মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে সাংবাদিকদের ওপর হামলা,শিবগঞ্জ প্রতিবাদে সভা শিবগঞ্জে ৩ নবজাতকের পাশে ইউএনও মাজহারুল ইসলাম।

সোনামসজিদ আমদানি ও রপ্তানিকারক গ্রুপের বার্ষিক সাধারণ সভা

শিবগঞ্জ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি: চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর আমদানি ও রপ্তানিকারক গ্রুপের বার্ষিক সাধারণ সভা হয়েছে। শনিবার দুপুরে প্রতিষ্ঠানটির অডিটোরিয়ামে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের সকল খাতের প্রাপ্তি-প্রদানের হিসাব নীরিক্ষা ও অডিট প্রতিবেদন তুলে ধরেন গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মামুনুর রশিদ। সোনামসজিদ স্থলবন্দর আমদানি ও রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি কাজী শাহাবুদ্দিনের সভাপতিত্বে ও কার্যনির্বাহী সদস্য নুর আমিনের সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আবু তালেব, সাবেক সভাপতি কবিরুল রহমান খাঁন খোকন, রেজাউল করিম বুলবুল, জেলার সর্বোচ্চ করদাতা এলিম এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী একরামুল হক, সিনিয়র সহ-সভাপতি দেলোয়ার হোসেন। বক্তারা বলেন, পানামার খরচ বেশির কারণে আমাদের খরচও বেশি হচ্ছে। ফলে আমাদের ব্যবসায়ীরা ক্ষতি হচ্ছে। আমরা কোন সাংঘর্ষিক চাই না। আমরা সব স্থলবন্দরে একই নিয়ম চাই। বক্তারা আরো বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি সুলতানগঞ্জ মায়া নৌ বন্দরের উদ্বোধন হয়েছে। এই বন্দরের জন্য আমাদের সোনামসজিদ স্থলবন্দরের জন্য কিছুটা হলেও সমস্যা হবে। কেননা ব্যবসায়ীরা চাই নিময়ানুযায়ী সুবিধা। আমরা বাড়তি কোন সুবিধা নয় বরং সব বন্দরে একই নিয়মে আওতায় থাকা চাই। তাই এখনই আমাদের ভারতীয় মহদীপুর এক্সপোর্ট এ্যাসোসিয়েশনের সাথে আলোচনা করে যেন দ্রুত সমাধান হয়। বক্তারা বলেন, সোনামসজিদ স্থলবন্দরে কোন অভিভাবক না থাকায় এই স্থলবন্দরে খরচ দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে এই বন্দরের ব্যবসায়ীরা অন্য বন্দরে খরচ কম হওয়ার কারণে চলে যাচ্ছে। পানামা, সিএন্ডএফ, শ্রমিক সমন্বয়সহ সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে বসে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে দ্রুত। আমাদের এক্যবদ্ধতা না থাকার জন্য পানামা কর্তৃপক্ষ দিনদিন খরচ বাড়িয়ে যাচ্ছেন। আর আমদানি ও রপ্তানিকারক গ্রুপের সদস্যরা সমস্যায় পড়ছে। এ সময় সহ-সভাপতি মোহাম্মদ সাহিনুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম ও সহ-সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলামসহ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

View All


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা