বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ১২:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্তে ৫৩ বিজিবির পৃথক অভিযানে নেশাজাতীয় এস্কাফ সিরাপ ও মোবাইল ফোন জব্দ শিক্ষককে মূল্য দিন, জাতি তার ফল পাবে ! জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর অভিযানে মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট সহ আটক-১  সোনামসজিদ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১৬৭ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় সিরাপ জব্দ সোনামসজিদে গৃহবধূ সুমাইয়াকে হত্যার প্রতিবাদ ও আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন  শিবগঞ্জে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে সহায়তার প্রদান বিএনপি নেতা রাইহান পেশার মর্যাদা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবিতে শিবগঞ্জে ফারিয়ার মানববন্ধন শিবগঞ্জে পদ্মার মাটি কাটার দ্বন্দ্বে যুবককে মাদক মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ, মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে সাংবাদিকদের ওপর হামলা,শিবগঞ্জ প্রতিবাদে সভা শিবগঞ্জে ৩ নবজাতকের পাশে ইউএনও মাজহারুল ইসলাম।

শিক্ষকরা স্কুলে আসেন না সঠিক সময়ে,হয় না অ্যাসেম্বলি

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি: চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুুর উপজেলার বিশুক্ষেত্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে কোনো ধরনের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশিত হয় না। হয় না শপথ পাঠ, তথা অ্যাসেম্বলি। প্রধান শিক্ষক থেকে শুরু করে অধিকাংশ সহকারী শিক্ষক সময়মতো স্কুলে আসেন না, পাঠদান করেন না। এসব অভিযোগের পরিপেক্ষিতে সরেজমিনে মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) অত্র প্রতিষ্ঠানে গিয়ে সকাল থেকে সাড়ে ১০ টা পর্যন্ত একজন সহকারি শিক্ষকের দেখা পাওয়া যায়। তবে সে সময় স্কুলের শ্রেণীকক্ষে তালা ঝুলতে দেখা গেছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক অভিভাবক বলেন, এই স্কুলে ঠিকমতো লেখাপড়া হয়না। এখানকার শিক্ষকরা অনেক দেরীতে স্কুলে আসে। আর জাতীয় সঙ্গীত কখন হয়েছে তা আমার মনে হচ্ছে না। অথচ আমার বাড়ির সামনে স্কুলটি। কথা হয় কয়েকটি শ্রেণীর শিক্ষার্থীদেরও সাথে, তারা বলেছেন, আমাদের স্কুলের শিক্ষকরা অনেক দেরীতে স্কুল খুলে। আর জাতীয় সঙ্গীত, শপথ পাঠ ও অ্যাসেম্বলি এগুলো কখন করিয়েছে তা আমাদের মনে পড়ছে না। বছরে কয়েকবার শুধু করায়। বিশুক্ষেত্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিনু চন্দ্র বর্মন মোবাইল ফোনে বলেন, প্রতিষ্ঠান থেকে আমার বাড়ি প্রায় ২৫ কিলো মিটার দূরে। সেখান থেকে আসতে আমাকে সময় লাগে। আমি আজকে পৌনে দশটায় এসে স্কুল খুলেছি। অ্যাসেম্বলি হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোন কথা না বলে ফোন কেটে দেন। গোমস্তাপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোসা. নাজমা খাতুন বলেন, ইতিপূর্বেও এমন অভিযোগ পেয়েছি। যার পরিপ্রেক্ষিতে তাঁকে শোকজ করা হয়েছিল। সে পরবর্তীতে এমন কিছু করবে না বলে জবাব দিয়েছিল। কিন্তু তারপর আর খোঁজ নেওয়া হয়নি। যেহেতু সে এখনো সংশোধন হয়নি। তাই আমি আবার তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. জেছের আলী বলেন,বিষয়টি আমার নলেজে এসেছে। আমি ইতিমধ্যে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানিয়েছি। ঘটনাটির সত্যতা থাকলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে বলেছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা