চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধিঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের সোনামসজিদ স্থলবন্দর ১ নাম্বার ওয়ার্ডে ১৮-১০-২০২২ রাত ৮ টার সময় মারামারি হামলা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যায়।
মামলার বাদী আব্দুল জলিল বলেন,বালিয়াদিঘী মধ্যেবাজারে সোনামসজিদ স্থলবন্দর যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক জেম এর সাথে কাথাকাটাকাটি হয়,কথাকটাকাটির এক পর্যায়ে আমাকে মারধর শুরু করলে,আমি জীবন বাঁচানোর তাগিদে সেখান থেকে দৌড়ে পালিয়ে যায়, পরবর্তীতে তারা আমাকে না পেয়ে,আসামী জেম,রয়েল,রুবেল,সজিব হ্যাসুয়া,কাতা,কুড়াল নিয়ে আমার বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর করে আমার ঘরের সকল আসবাবপত্র টিভি,ফ্রিজ ,ফ্যান সোকেস ভেঙ্গে চুরমার করে দেয় এবং সোকেসে থাকা ৮৫ হাজার টাকাও তারা নিয়ে চলে যায় এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে স্থান ত্যাগ করে এই মর্মে থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছি।
অপরদিকে মামলার আসামী ও বাদী জেম বলেন, আমি সোনামসজিদ স্থলবন্দর যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক হওয়ায়, সোনামসজিদ মধ্যেবাজার যুবলীগ অফিসে বসে ছিলাম এমতাবস্থায় আমার প্রসাবের চাপ আসলে,যুবলীগ অফিসের সামনে একটু দুরে গিয়ে প্রসাব করি,সেখানে পানি না থাকায় মাটি দিয়ে কুলুপ ধরে দাঁড়িয়ে থাকি,ঠিক সেই মূহুর্তে আসামী আব্দুল জলিল,মামুন মৌলভী সহ অরও অঙ্গতানামা ৩ থেকে ৪ জন পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আমাকে এসে বলে এই হিন্দুর বাচ্চা, আওয়ামীলীগের জন্মা বলে গালাগালি করতে থাকে,আমি তাকে জিঙ্গাসা করি এইভাবে গালি দিচ্ছ কেন তখন আব্দুল জলিল বলেন,”মুইতা পানি লিসনা তো তোকে হিন্দু কহবোনা তো কি কহবো”আমি সয্য করতে না পেরে তাকে গালি দিলে,আসামী আব্দুল জলিল, মামুন সহ তাদের সঙ্গে থাকা লাঠিসোটা নিয়ে মারধর শুরু করে এবং আব্দুল জলিল একটি ইট দিয়ে আমার মাথায় আঘাত করে মাথা ফাটিয়ে দেয় এবং সঙ্গে,সঙ্গে রক্ত বের হয়ে আমার শরীর ভিজে যায় এবং আমার কাছে থাকা ২৫ হাজার ৭০০ টাকাও কেড়ে নেয়।এই মর্মে আমি শিবগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছি।
পাল্টাপাল্টি অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে,
শিবগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ চৌধুরীর জুবায়ের আহমেদ বলেন, গত রাতে বালিয়াদিঘি গ্রামে দুই পক্ষে অভিযোগ দিয়েছে, তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।