শিবগঞ্জ(চাঁপাইনবাবগঞ্জ)প্রতিনিধিঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে র্যাবের অভিযানে ভূয়া ডাক্তার ও তাঁর সহযোগীকে আটক করেছে র্যাব-৫ এর চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের সদস্যরা। বৃহষ্পতিবার দুপুরে দীর্ষ সময় অভিযানে চালিয়ে শিবগঞ্জ উপজেলার শ্যামপুর ইউনিয়নের উমরপুর ঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃত ভূয়া ডাক্তার শিবগঞ্জ উপজেলার শ্যামপুর ইউনিয়নের উমরপুর খোঁচপাড়ার মোঃ শফিকুল ইসলামের ছেলে মোঃ মাসুম আলী(৩২) ও তাঁর সহযোগী শ্যামপুর টিকোশ গ্রামের মোঃ একরামুল হকের ছেলে মোঃ আব্দুল মতিন(২০)।
বৃহষ্পতিবার গভীর রাতে র্যাব চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোম্পানী অধিনায়ক লেঃ কমান্ডার রুহ-ফি-তাহমিন তৌকির এবং কোম্পানী উপ অধিনায়ক সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ আমিনুল ইসলাম এর নেতৃত্বে
শিবগঞ্জ উপজেলার শ্যামপুর ইউনিয়নের উমরপুর-খোঁচপাড়া গ্রামস্থ কথিত ডাঃ মোঃ মাসুম আলীর চেম্বার আদর্শ চিকিৎসালয়ে অভিযান চালিয়ে ২টি প্রেসক্রিপশন প্যাড, ১ সেট এনালগ বিপি মেশিন, ১টি টুল বক্স, ১১টি কাচি, ১টি ভূয়া প্রেসক্রিপশন ও ১টি ঔষধ ক্রয়ের ভাউচারসহ কথিত ভূয়া চিকিৎসক মোঃ মাসুম আলী ও তাঁর সহযোগী মোঃ আব্দুল মতিন কে আটক করা হয়।
র্যাব আরো জানায়,আটককৃতদ্বয় দেশের কিংবা বিদেশের ¯^ীকৃত কোন মেডিক্যাল কলেজ হতে চিকিৎসা বিষয়ে কোন ডিগ্রী অর্জন না করেই প্রতারনার আশ্রয় নিয়ে অননুমোদিতভাবে ডাক্তারী প্রেসক্রিপশন করে গরিব অসহায় রোগীদের নিকট হতে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে বিগত কয়েক বছর ধরে ভূল চিকিৎসা দিয়ে আসছিল। একজন ভূক্তভোগীর অভিযোগে জানা যায় যে, তিনি তাঁর স্ত্রীর মাথার টিউমার অপারেশন করার জন্য বর্নিত ভূয়া ডাক্তার মোঃ মাসুম আলী এর নিকট যায়। বর্ণিত ভূয়া ডাক্তার টিউমার অপারেশন না করে সেখানে এসিড প্রয়োগ করলে রোগীর অবস্থা আশঙ্কা হলে বিষয়টি নিয়ে মিডিয়া পাড়ায় ব্যাপক চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। বিষয়টি নিয়ে র্যাব সরেজমিনে তদন্তকালে বিষয়টির সত্যতা পেলে ভূয়া ডাক্তার ও তাঁর সহযোগীকে র্যাবের একটি টহল দল কর্তৃক আটক করা হয়। এঘটনায় শিবগঞ্জ থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।