বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৮:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্তে ৫৩ বিজিবির পৃথক অভিযানে নেশাজাতীয় এস্কাফ সিরাপ ও মোবাইল ফোন জব্দ শিক্ষককে মূল্য দিন, জাতি তার ফল পাবে ! জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর অভিযানে মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট সহ আটক-১  সোনামসজিদ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১৬৭ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় সিরাপ জব্দ সোনামসজিদে গৃহবধূ সুমাইয়াকে হত্যার প্রতিবাদ ও আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন  শিবগঞ্জে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে সহায়তার প্রদান বিএনপি নেতা রাইহান পেশার মর্যাদা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবিতে শিবগঞ্জে ফারিয়ার মানববন্ধন শিবগঞ্জে পদ্মার মাটি কাটার দ্বন্দ্বে যুবককে মাদক মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ, মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে সাংবাদিকদের ওপর হামলা,শিবগঞ্জ প্রতিবাদে সভা শিবগঞ্জে ৩ নবজাতকের পাশে ইউএনও মাজহারুল ইসলাম।

১২ লক্ষ টাকা দিয়ে চাকুরী না হওয়ায়,বাবার হার্ট এ্যাটাকে মৃত্যু !

পঞ্চগড় সদর উপজেলা ১২ লাখ টাকা ঘুষ দিয়েও মাদরাসায় চাকরি হয়নি, লাশ নিয়ে সভাপতির বাড়িতে অবস্থান । ছেলেকে মাদরাসায় চাকরি দেয়ার নামে ১২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে পঞ্চগড় সদর উপজেলার প্রধানপাড়া দারুলফালা দাখিল মাদরাসার সাবেক সভাপতি জুলফিকার আলী প্রধানের বিরুদ্ধে। এদিকে চাকরি না হওয়ায় স্ট্রোক করে বাবা দবিরুল ইসলামের (৬০) মৃত্যু হয়েছে। পরে তার মরদেহ নিয়ে সাবেক সভাপতির বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন পরিবারসহ স্থানীয়রা।
বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) রাতে পঞ্চগড় সদর উপজেলার সাতমেরা ইউনিয়নের প্রধানপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মৃত দবিরুল ইসলাম (৬০) ওই গ্রামের শনিবুল্লাহর ছেলে।
চাকরির জন্য দেয়া ১২ লাখ টাকা ফেরত না পাওয়া পর্যন্ত সভাপতির বাড়ি থেকে মরদেহ সরানো হবে না বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এমন ঘটনায় পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যকর পরিবেশ বিরাজ করছে। এদিকে ঘটনার পর থেকে সাবেক সভাপতি জুলফিকার আলী প্রধানসহ বাড়ির অন্য সদস্যরাও বাড়ি থেকে পালিয়েছেন।
স্থানীয় ও মৃতের পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করে বলেন, দু-বছর আগে জুলফিকার প্রধানপাড়া দারুলফালা দাখিল মাদরাসার সভাপতি থাকা অবস্থায় মৃত দবিরুলের ছেলে আব্দুস সবুরকে মাদরাসায় চাকরি দেয়ার কথা বলে ১২ লাখ টাকা দেন। এর মাঝে তার সভাপতির মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। অন্যদিকে সবকিছু বিক্রির পরও ছেলের চাকরি না হওয়ায় শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন দবিরুল। পরিবারের চাহিদা মেটাতে না পেরে এবং চাকরির জন্য দেয়া ১২ লাখ টাকা ফেরত না পেয়ে গত মঙ্গলবার (৯ আগস্ট) স্ট্রোক করেন। পরে রংপুর মেডিকেলে নিয়ে গেলে বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।
সেখান থেকে সন্ধ্যায় ছাড়পত্র নিয়ে মরদেহ গ্রামে নিয়ে আসা হয়। পরে চাকরির জন্য দেয়া ১২ লাখ টাকা ফেরতের দাবি তুলে স্থানীয়দের সহায়তায় সাবেক সভাপতির বাড়িতে মরদেহ রেখে টাকা ফেরত না পাওয়া পর্যন্ত ওই বাড়ি থেকে সরা হবে না বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যসহ স্থানীয়রা।
দবিরুলের ছেলে আব্দুস সবুর সময় সংবাদকে বলেন, ‘চাকরি দেয়ার জন্য সভাপতি জুলফিকার আমাদের কাছে ১২ লাখ টাকা নিয়েছেন। চাকরি না হওয়ায় বাবা সেই টাকা ফেরতের জন্য অনেকবার তাকে বলেছেন। এমনকি স্থানীয়ভাবে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু সভাপতি সেই টাকা ফেরত দেননি। এদিকে আমাদের সবকিছু বিক্রি করায় বাবা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা