আম বাগান মাইনুল ইসলাম রাইজিংবিডিকে বলেন, গতকাল বৃহস্পতিবার (১৬) সকালে হঠাৎ বর্ষায় আম পাড়তে পারেনি। দুপুরের পর কয়েকটা গাছে আম পেড়ে আড়তে দিয়ে এসেছিলাম। কিন্তু আজ ভোর থেকে অনেক বৃষ্টি। বাগানে গিয়ে আম পাড়া যাবেনা, টানা বার্ষার পানিতে গাছ পিচ্ছিল হয়ে গেছে। গাছে উঠে আম পাড়লে যেকোন মুহুর্তে দূর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।
আম ব্যবসায়ী আমিরুল ইসলাম জাকির রাইজিংবিডিকে বলেন, ভোর থেকে আষাঢ়ে বর্ষণে কানসাটের আম বাজারের খানাখন্দগুলো ভরে গেছে। নিচু জায়গায় গুলোতে পানি জমে গেছে। বর্ষার কারণে গতকাল থেকে বাজারে আম নামছেনা। অনান্যদিনের চাইতে আজকে সব চেয়ে কম আম নেমেছে।
কানসাট বাজারে আম নিয়ে এসেছেন আব্দুর রহিম। তিনি হতাশা প্রকাশ করে রাইজিংবিডিকে বলেন, গতকালকেও সকালে আম বাজারে আসতে পারিনি। দুপুরের পর আম পেড়ে নিয়ে এসেছিলাম। কিছু বিক্রি করেছে, আর কিছু বিক্রি হয় নি। গতকালকের আম গুলো আজ বাজারে নিয়ে এসেছি, কিন্তু পাইকার নাই। কাঁচামাল পচনশীল পন্য হওয়ায় আশঙ্কা থাকছে।
অন্যদিকে কাজে বের হওয়া সব ধরনের লোকের ভোগান্তি বেড়েছে। শিবগঞ্জের ইসরাইল মোড়ে একটি দোকানের বারান্দা দাঁড়িয়েছিলেন মিজানুর রহমান। তিনি তার ঢাকা থেকে আগত বন্ধুকে অভ্যর্থনা জানাতে এসে বৃষ্টির জন্য আঁটকে গেছেন।
ফেরদৌস অনুও দাঁড়িয়েছিলেন এক দোকানের বারান্দায়। তিনি বলেন, সকালে রাজশাহী থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জে এসেছি অফিসের কাজে। কিন্তু বৃষ্টির জন্য সড়কে গাড়ি নাই। ফলে গন্তব্যে স্থলে পৌঁছাতে ভোগান্তি পহাতে হচ্ছে।