বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০১:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্তে ৫৩ বিজিবির পৃথক অভিযানে নেশাজাতীয় এস্কাফ সিরাপ ও মোবাইল ফোন জব্দ শিক্ষককে মূল্য দিন, জাতি তার ফল পাবে ! জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর অভিযানে মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট সহ আটক-১  সোনামসজিদ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১৬৭ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় সিরাপ জব্দ সোনামসজিদে গৃহবধূ সুমাইয়াকে হত্যার প্রতিবাদ ও আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন  শিবগঞ্জে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে সহায়তার প্রদান বিএনপি নেতা রাইহান পেশার মর্যাদা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবিতে শিবগঞ্জে ফারিয়ার মানববন্ধন শিবগঞ্জে পদ্মার মাটি কাটার দ্বন্দ্বে যুবককে মাদক মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ, মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে সাংবাদিকদের ওপর হামলা,শিবগঞ্জ প্রতিবাদে সভা শিবগঞ্জে ৩ নবজাতকের পাশে ইউএনও মাজহারুল ইসলাম।

বিনোদপুর ইউনিয়নের পল্লী বিদ্যুতের অভিযোগকেন্দ্র বিলে নিয়ে অতিষ্ঠ, গ্রাহকে সমাধানের আশ্বাস

স্টাফ রিপোর্টার সৌরাব আলি সাংবাদিক।। চাঁপাইনবাবগঞ্জ পল্লী বিদ্যুত সমিতি বিনোদপুর ইউনিয়নের সাধারীটোল অভিযোগকেন্দ্র বিনোদপুর ইউনিয়ন বাসি অতিষ্ঠ প্রায় গ্রাহকের বিদুৎ বিলের প্রতি কপিতে নিজের মনগড়া লাগামহীন বিল তৈরি নির্দিষ্ট সময়ে বিল পরিশোধ করতে বলেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কানসাট জোনাল অফিস। লাগামহীন বিল দেখে অতিষ্ঠ হয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিনোদপুর বাসী। অতিরিক্ত বিলের কপি সংশোধনের কথা বলে এখনও সংশোধন করেনি। বেশি বিলের কারণে গুণতে হচ্ছে প্রকৃত বিলের চেয়ে দুই থেকে তিনগুণ অতিরিক্ত বিলের টাকা। বিশেষ করে চলতি মাসের তৈরি বিলের কগজ নিয়ে হয়রানির শিকার হচ্ছেন বিনোদপুরের হাজার হাজার গ্রাহক। অভিযোগ করেন মিটার রিডার বাড়ি বাড়ি না গিয়েই ইচ্ছে মতো রিডিং বসানোর কারণেই এমন ঘটনা ঘটেছে। এতে করে গ্রাহকদের অতিরিক্ত চার্জ গুণতে হচ্ছে। বিগত কয়েক মাসের তুলনায় মে মাসে হঠাৎ বিলের পরিমাণ দুই থেকে তিনগুণ বৃদ্ধি পাওয়ায় গ্রাহকদের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বিদ্যুৎ বিলের কপি হাতে পেয়ে গ্রাহকরা অভিযোগ জানালে পল্লী বিদ্যুৎ অফিস আগামী মাসে সমন্বয় করা হবে বললেও এমন আশ্বাসে আস্থা রাখতে পারছেন না গ্রাহকরা। গ্রাহকদের মতে পল্লী বিদ্যুৎ একবার যে বিলের বোঝা গ্রাহকদের ঘাড়ে চাপিয়ে দেয় তা বিভিন্ন নিয়ম দেখিয়ে আদায় করেই ছাড়ে। এদিকে, বিলের কাগজ দেখে সামাজিত যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে সতর্কতা বার্তা দেওয়া হয় বিনোদপুর ইউনিয়নবাসীকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান শহীদ ভাই তাঁর নিজের বাড়ির বিলের কাগজ দেখে হতাশ তাই তিনি সাধারণ জনগণের কথা ভেবে উদ্যোগটি গ্রহণ করেন এবং তিনি পুলিশ,ডিএসবি পল্লী বিদ্যুত সমিতি কর্মকর্তাদের সাথে ভদ্র ভাষায় কথা বলে বুঝান। আপনারা আমাদের দাবি মেনে নিন মিটারের ইউনিট দেখে বিলের কাগজ গুলো সঠিক করা।মিটারের প্রতি ইউনিটের টাকা একই রাখা এবং বিল পরিশোধ করার সময় দিতে হবে এগুলো মেনে নিন তাহলে সাধারণ জনগণ বিল পরিশোধ করে দেবেন। আর অতি শীঘ্রই সমাধান করেন, কারেন্ট বিলের না হলে আমারা অন্য কিছু করতে বাধ্য হবো, আসুন আমরা সবাই মিলে এর প্রতিরোধ করি। বন্ধ করি পল্লী বিদ্যুৎ এর দূর্নীতি। সাধারণ মানুষের পকেট থেকে লাখ লাখ টাকা ছিনিয়ে নিচ্ছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। প্রায় ১০ হাজার গ্রাহক। যা প্রায় মিটিারের রিডারগণ দুই থেকে তিন গুণ রিডিং বেশি লিখে বিল তৈরি করে গ্রাহকদের বাড়ি-বাড়ি পৌঁছে দিয়েছে। জানা গেছে বর্তমানে আবাসিক ক্ষেত্রে ১-৭৫ ইউনিট পর্যন্ত প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দর ধরা হয়েছে ৪ দশমিক ১৯ টাকা, ৭৫-২০০ ইউনিট পর্যন্ত ৫ দশমিক ৭২ টাকা, ২০১-৩০০ ইউনিট পর্যন্ত ৬ টাকা। এইভাবে ক্রমাগত ভাবে দর নির্ধারণ করে বিল তৈরি করছে কানসাট জোনাল অফিস। লক্ষ্য করা গেছে, সাধারণ গ্রাহকদের পরিবারে সর্ব নিম্ন বিদ্যুৎ যদিও ব্যবহার করে তা ২৫/৩০ কিংবা ৩০/৩৫ ইউনিট। কিন্তু এসব পরিবারের মিটারগুলোর দুই থেকে তিন গুণ বিল বাড়িয়ে দিয়ে বিল দিতে বাধ্য করছে কানসাট জোনাল অফিস। এব্যাপারে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কানসাট জোনাল অফিসের ডিপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) প্রকৌশলী মোঃ গোলাম সারওয়ার মোদের্শ জানান, জুন-জুলাই মাসকে সামনে রেখে আমাদের বিলগুলো তৈরি করতে তারিখ এগিয়ে নেয়া হয়। সে জন্য হয়তো কিছু কিছু মিটারের বিল বেশি লেখা হয়েছে। এছাড়া অনেকের বকেয়া বিল থাকার জন্য তাদের বিলে বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। কিন্তু আমরা ইচ্ছে করে বিলগুলো বৃদ্ধি করিনি। যাদের বিলের কপি বেশি বিল লেখা তা হয় তো ভূলবসত লেখা হয়েছে। তিনি আরো জানান, আপনারা সচেতন ব্যক্তি, আপনার জানামতে এবং আপনাদের আশপাশের যাদের বিল বেশি লেখা হয়েছে তাদের অফিসে পাঠানো জন্য অনুরোধ করছি। তাদের বিল সংশোধন করে দিবো।

View All


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা