বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০২:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্তে ৫৩ বিজিবির পৃথক অভিযানে নেশাজাতীয় এস্কাফ সিরাপ ও মোবাইল ফোন জব্দ শিক্ষককে মূল্য দিন, জাতি তার ফল পাবে ! জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর অভিযানে মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট সহ আটক-১  সোনামসজিদ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১৬৭ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় সিরাপ জব্দ সোনামসজিদে গৃহবধূ সুমাইয়াকে হত্যার প্রতিবাদ ও আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন  শিবগঞ্জে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে সহায়তার প্রদান বিএনপি নেতা রাইহান পেশার মর্যাদা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবিতে শিবগঞ্জে ফারিয়ার মানববন্ধন শিবগঞ্জে পদ্মার মাটি কাটার দ্বন্দ্বে যুবককে মাদক মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ, মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে সাংবাদিকদের ওপর হামলা,শিবগঞ্জ প্রতিবাদে সভা শিবগঞ্জে ৩ নবজাতকের পাশে ইউএনও মাজহারুল ইসলাম।

শিবগঞ্জের তোহাখানা মাদ্রাসা থেকে গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র স্থানান্তর, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

শিবগঞ্জ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি: চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে তোহাখানা নিয়ামতিয়া আলিম মাদ্রাসার বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে শিক্ষা কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। ফলে মাদ্রাসার সার্টিফিকেটসহ গুরুত্বপূর্ণ তিন বস্তা কাগজ নিরাপত্তাজনিত কারণে অনত্র সরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে- উপজেলার তোহাখানা মসজিদের ইমাম ও তোহাখানা নিয়ামতিয়া আলিম মাদ্রাসার খন্ডকালীন শিক্ষক মো. সেলিম ও তোহাখানা রেস্ট হাউসের কর্মচারী সামিম হোসেন অফিস রুম থেকে সার্টিফিকেটসহ গুরুত্বপূর্ণ তিন বস্তা কাগজ স্থানান্তর করে গেস্ট হাউসে  রাখেন। এ সময় বিষয়টি ছাত্র জনতার নজরে আসলে বুধবার বিকাল পর্যন্ত মাদ্রাসাটি ঘেরাও করে ছাত্র জনতা। খবর পেয়ে স্থানীয় গণ্যমাণ্য ব্যক্তি, মাদ্রাসার অন্যান্য শিক্ষক ও বিজিবি সদস্যদের সহায়তায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনে। পরে ওই দুজনের কাছ তিন বস্তা কাগজ ফেরত নিয়ে স্থানীয় গণ্যমাণ্য ব্যক্তি ও মাদ্রাসার শিক্ষকদের নিকট সার্টিফিকেটসহ গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র তুলে দেন ছাত্র জনতা। সাবেক সেনা কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম জানান, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মামুনুর রশিদ, আব্দুল মালেক ও অফিস সহকারী সাইদুর রহমান পাঁচ বছর থেকে মাদ্রাসায় অনিয়ম করে আসছে। কোন শিক্ষক মন্ডলির কথাবার্তা তারা শুনেন না। তারা নিজের ইচ্ছামত মাদ্রাসা পরিচালনা করছে। তোহাখানা মাদ্রাসায় মামুনুর রশিদের নির্দেশে পূর্বের শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেটসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন। এ বিষয়ে তোহাখানা মসজিদের ইমাম ও মাদ্রাসার খন্ডকালীন শিক্ষক সেলিম রেজা বলেন,  ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মামুনুর রশিদের নির্দেশে কাগজপত্র নিরাপত্তার উদ্দেশ্যে মাদ্রাসা থেকে সরিয়ে তোহাখানা গেস্ট হাউসের একটি নিরাপদ স্থানে রাখি। ছাত্র জনতা বিষয়টি নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করলে ফের অফিসে  হস্তান্তর করি। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মামুনুর রশিদ বলেন, দেশে বিভিন্ন অরাজকতা সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে সার্টিফিকেটসহ গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র অফিস কক্ষ থেকে সরিয়ে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণের ভেতরে গেস্ট হাউসের নিরাপদ স্থানে রাখা হয়েছিল। আমি চাইনা তোহাখানা মাদ্রাসার কোন ক্ষতি হোক। তাই কাগজপত্রগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।

View All


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা