বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্তে ৫৩ বিজিবির পৃথক অভিযানে নেশাজাতীয় এস্কাফ সিরাপ ও মোবাইল ফোন জব্দ শিক্ষককে মূল্য দিন, জাতি তার ফল পাবে ! জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর অভিযানে মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট সহ আটক-১  সোনামসজিদ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১৬৭ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় সিরাপ জব্দ সোনামসজিদে গৃহবধূ সুমাইয়াকে হত্যার প্রতিবাদ ও আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন  শিবগঞ্জে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে সহায়তার প্রদান বিএনপি নেতা রাইহান পেশার মর্যাদা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবিতে শিবগঞ্জে ফারিয়ার মানববন্ধন শিবগঞ্জে পদ্মার মাটি কাটার দ্বন্দ্বে যুবককে মাদক মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ, মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে সাংবাদিকদের ওপর হামলা,শিবগঞ্জ প্রতিবাদে সভা শিবগঞ্জে ৩ নবজাতকের পাশে ইউএনও মাজহারুল ইসলাম।

শিবগঞ্জে জাকারিয়ার মাল্টা চাষে  চমক, আয় লাখ টাকা!

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের উপজেলার জাকারিয়া দেশি মাল্টা চাষে সফল হয়েছেন। তার বাগানের প্রতিটি গাছে মাল্টা এসেছে। সারিবদ্ধভাবে লাগানো গাছ গুলোতে আধাপাকা মাল্টায় ভরে আছে। কসমেটিকস ব্যবসায়ী হলেও গাছ লাগাতে ভালোবাসেন বলে জানান তিনি।

জানা যায়, ৪ বছর আগে তার আম বাগানে ৭৫টি মাল্টার চারা রোপন করেছিলেন। চারা রোপনের দেড় বছরের পরেই গাছে মাল্টা আসতে শুরু করে। প্রতিটি গাছে মাল্টা আসছে দেখে জাকারিয়া মাল্টা গাছ গুলোকে পরিচর্যা করায় আরো মনোযোগী হয়ে উঠেন। ফলে গত বছর মাত্র ৭৫টি গাছের মাল্টা বিক্রি করে ৫০ হাজার টাকা পেয়েছিলেন। এবছর মাল্টার ফলন বেশি হয়েছে বলে জানান তিনি।

জাকারিয়া বলেন, আমি কসমেটিকসের ব্যবসা করলেও গাছ লাগাতে খুব ভালো লাগতো। তাই ৪ বছর আগে বাড়ির পাশের আম বাগানে ৭৫টি মাল্টার চারা রোপন করেছিলাম। এলাকাবাসী উপহাস করলেও মাত্র দেড় বছরের মাথায় গাছে ফল ধরে। মাল্টা চারা লাগিয়ে সফল হওয়ায় এলাকার অনেকেই আমার কাছ থেকে চারা কিনতে আসে। গত বছর মাল্টা বিক্রি করে ৫০ হাজার টাকা পেয়েছিলাম। এবছর এখন পর্যন্ত ১ লাখ টাকার মাল্টা বিক্রি করেছি। আশা করছি আরো ৫০ হাজার টাকার মাল্টা বিক্রি করতে পারবো।

তিনি আরো বলেন, এই মাল্টা খুবই সুস্বাদু ও পুষ্টিকর। আকারে অনেক বড়ও হয়। বর্তমানে প্রতি মণ মাল্টা ২০০০-২২০০ টাকা দরে বিক্রি করেছি। আম চাষি জসিম উদ্দিন বলেন, জাকারিয়া তার বাগানে দুই ধরনের ফল চাষ করছে। আমের সময় আম বিক্রি করছে। পাশপাশি মাল্টা বিক্রি করেও ভালো আয় করতে পারছে। আমরা প্রথমে ‍উপহাস করলেও এখন তার সফলতা দেখে আমাদের ভূল ভেঙেছে। আগামীতে আমি ‍দুই বিঘা জমিতে মাল্টা চাষ করবো।

শিবগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম বলেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দেশি সবুজ মাল্টার চাষ হচ্ছে। এই এলাকার মাটিও মাল্টা চাষের জন্য খুব উপযোগী। দেশে এই মাল্টার চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। পাশাপাশি চাষও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই মাল্টার চাষ আরো বৃদ্ধি পেলে বিদেশ থেকে আর আমদানি করতে হবে না। মাল্টা চাষিদের কৃষি বিভাগ থেকে সব ধরনের সহযোগীতা করা হবে।

View All


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা