প্রিন্ট এর তারিখঃ জুলাই ২২, ২০২৬, ১:২৪ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ এপ্রিল ১৮, ২০২৩, ১২:৪৬ এ.এম
শিবগঞ্জে শেষমুহুর্তে জমে উঠছে ঈদের কেনাকাটা
![]()
শিবগঞ্জ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি : ঈদুল ফিতরের আর মাত্র ৪ থেকে ৫ দিন বাকি। আর শেষমুহুর্তে বিভিন্ন মার্কেট ও ফুটপাতে জমে উঠছে ঈদের কেনাকাটা। সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত দেখা গেছে ক্রেতাদের আনাগোনা ।
সরেজমিনে উপজেলার শিবগঞ্জ পৌর মার্কেট, কানসাট বাজার, মনাকশা বাজার, ছত্রাজিতপুর বাজার, খাসেরহাট বাজারের বিভিন্ন মার্কেটগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় দেখা গেছে। মার্কেটের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে বিভিন্ন রঙ ও ডিজাইনের পোশাকের পসরা সাজিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। পছন্দ ও দরদামে মিলে গেলেই কিনে নিচ্ছেন ক্রেতারা । বিক্রেতারা জানিয়েছেন, বিশ রমজান পর্যন্ত বেচাকেনা খুব একটা জমে না উঠলেও ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে ক্রেতাদের ভিড় ততই বাড়ছে। তবে দেশে নিত্যপণ্যসহ সবকিছুর দাম বৃদ্ধির ফলে ক্রেতারা ঈদ বাজারে এসে একটু চিন্তা ভাবনা করেই কেনাকাটা করছেন। অপরদিকে ক্রেতারা বলছেন, গতবারের চেয়ে এবার সব ধরনের পোষাকের দাম অনেক বেশি । তাই নিজেদের জন্য কিছু না কিনলেও বাচ্চাদের জন্য বেশি দামে বাধ্য হয়েই ক্রয় করতে হচ্ছে। শিবগঞ্জ তাজ মার্কেটে ঈদের কেনাকাটা করতে আসেন হাসিবুল হাসান বাবু ও তার স্ত্রী। তিনি বলেন, ঈদের কেনাকাটা করতে এসেছি। ঈদের কেনাকাটা করতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে। গত বছরের চেয়ে এবছর অনেক বেশি দামে কিনতে হচ্ছে সবকিছু। তিনি বলেন, মায়ের জন্য কাপড় কিনেছি। এখন বউ এর জন্য শাড়ী দেখছি। এদিকে মনাকশা বাজারে মির্জা সুপার মার্কেটে শান্তা নামে আরেক ক্রেতা বলেন, ঈদের কেনাকাটা করতে এসেছি কিন্তু খুব অসুবিধা হচ্ছে। এক তো প্রচন্ড তাপদহ আবার মানুষের প্রচন্ড ভিড়। অন্যদিকে অতিরিক্ত দাম। নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির মতো জামা-কাপড়ও সমান তালে দাম বেড়েছে। রোকেয়া সুপার মার্কেটে সুমনা সু স্টোর দোকানের মালিক মালেকুজ্জামান হাসান বলেন, সন্ধ্যার পর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ক্রেতাদের ভিড় থাকে। এবছর বাচ্চাদের জুতা-সেন্ডেলবেশি বিক্রি হচ্ছে। তবে দেশি পণ্যর চেয়ে ইন্ডিয়ান ও চায়না পণ্যর চাহিদা বেশি।
প্রকাশক ও সম্পাদক : সাংবাদিক,
মোহাঃ মামুন উর রশিদ
মোবাইল : ০১৭১৩-৮৮৬৭৪৫
বার্তা সম্পাদক : মোসাঃ ঝর্ণা পারভীন (এমএ)
মোবাইল
: ০১৭৯৯-১০৩৪৭০
ঠিকানাঃ মিরপুর-১২০১ ঢাকা।
নিউজ পাঠানোর
মেইলঃ desh50tv@gmail.com
Copyright © 2026 Desh 50 TV. All rights reserved.